আরো ভালো অবস্থানে যেতে চায় বেক্সিমকো এলপিজি


-- February 5, 2020

Source: The Daily Kalerkantho

বাজারের উন্নয়নে নীতিমালার বাস্তবায়ন প্রয়োজন শায়ান এফ রহমান, চেয়ারম্যান, বেক্সিমকো এলপিজি ভাইস প্রেসিডেন্ট, লোয়াব

‘এলপিজির বাজার দিন দিন বাড়ছে। তবে আমরা যে লেভেলে মার্কেটটা বাড়বে বলে আশা করেছিলাম তা এখনো হয়নি। তার পরও আমি বলব মার্কেটটা বেশি প্রতিযোগিতাপূর্ণ। মার্কেটে আগে অনেক প্লেয়ার (উদ্যোক্তা) ছিল। মাঝে অনেকে এসেছে। আগামীতে হয়তো আরো কিছু আসবে।’ বাংলাদেশে এলপিজির বাজার এবং নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে বেক্সিমকো এলপিজির চেয়ারম্যান ও লোয়াবের ভাইস প্রেসিডেন্ট শায়ান এফ রহমান এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘মার্কেটের মূল যে আকার, তাতে যে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে ওই তুলনায় যতগুলো কম্পানি আছে তাতে এক ধরনের সমন্বয়হীনতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমার মনে হয় না প্রত্যেকটি কম্পানিকে মুনাফা অর্জন করে টিকে থাকার জন্য যা দরকার, নতুন কম্পানি যারা আসবে তা করতে পারবে। আমরা এখন মার্কেটে ৭ নম্বর পজিশনে আছি। তবে ৭ নম্বর হলেও মাত্র দুই বছরে আমরা ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছি। অন্য কেউ এত কম সময়ে তা করতে পেরেছে বলে আমার মনে হয় না। মাত্র দুই বছরে আমরা যা পেরেছি অনেকের তা পাঁচ বছর লেগেছে। আমাদের প্রধান সুবিধা হলো কম্পোজিট সিলিন্ডার। বাংলাদেশের অন্য কারো এই কম্পোজিট সিলিন্ডার নেই।

ক্রেতারা এই সিলিন্ডার খুব পছন্দ করে। কারণ বেক্সিমকো স্মার্ট সিলিন্ডারে গ্যাসের লেভেল বাইরে থেকে দেখা যায়। এ ছাড়া সাধারণ সিলিন্ডারের তুলনায় প্রায় অর্ধেক ওজন এবং মরিচা পড়ে না। সবচেয়ে বড় যে সুবিধা তা হলো এটি শতভাগ বিস্ফোরণরোধী, তাই পরিবারের নিরাপত্তায় সেরা। তাই বলতে পারি, আমরা এখন যে অবস্থানে আছি তাতে আমরা খুশি। গ্রাহকপ্রিয়তা এবং গ্রাহকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারাটাই আমাদের প্রাপ্তি। আশা করি আগামী কয়েক বছরে আমরা আরো ভালো অবস্থানে যাব।’

এলপিজিতে প্লাস্টিকের বোতল কতটা নিরাপদ জানতে চাইলে শায়ান এফ রহমান বলেন, ‘বেক্সিমকো স্মার্ট সিলিন্ডার প্লাস্টিকের তৈরি নয়। এই সিলিন্ডারটি কম্পোজিট ফাইবার গ্লাসের তৈরি এবং অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানের। এ ধরনের কম্পোজিট ফাইবার গ্লাস উড়োজাহাজ ও স্পোর্টস কার তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়।

ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী তৈরি এই সিলিন্ডার যেমন টেকসই তেমনি নিরাপদ। আমাদের কম্পোজিট সিলিন্ডারগুলোতে গ্লাস ফাইবার ও রেজিনের তিনটি লেয়ার থাকে, যা সিলিন্ডারকে দেয় অভাবনীয় শক্তি ও স্থায়িত্ব। আমেরিকা, ফ্রান্স, তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রীত সিলিন্ডার কম্পোজিট গ্লাস ফাইবারের তৈরি। তাই নিরাপত্তা নিয়ে এখানে আর কোনো প্রশ্ন থাকার কথা না।’

এলপিজির বাজারের ভবিষ্যত্ সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি। তার মধ্যে ৭৫ শতাংশই এখনো এ খাতের বাইরে। তার মানে বিপুল সম্ভাবনা আছে। আর সরকার যদি প্রাকৃতিক গ্যাস দেওয়া বন্ধ করে দেয় তাহলে এ সম্ভাবনা আরো বেড়ে যায়। বাংলাদেশে এখন মধ্যবিত্ত পরিবার বাড়ছে। গত ১০ বছরে আমাদের অর্থনীতি যেভাবে বেড়েছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেভাবে বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে আমরা আরো ভালো করব। তা ছাড়া সরকার মাতারবাড়ীতে এলপিজি টার্মিনাল করছে। টার্মিনাল এসে গেলে বাংলাদেশে এলপিজি কম দামে দিতে পারব। কারণ তখন আমরা সবাই একত্র হয়ে কাঁচামাল কম দামে কিনতে পারব। তাই আমি মনে করি এ খাতের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল।’

এ খাতের সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জের ব্যাপারে বেক্সিমকো এলপিজির চেয়ারম্যান বলেন, ‘১৮ বছর আগে এই মার্কেট যখন শুরু হয়েছিল তখন বসুন্ধরা গ্রুপ ছাড়া আর কেউ সেভাবে ছিল না। কিন্তু এখন ৪০টি কম্পানি আছে। পাইপলাইনে আছে আরো ১০ কম্পানি। গত ১০ বছরে অনেক কম্পানি এসেছে। মার্কেটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হয়ে গেছে। এটার তদারকি আরো বাড়ানো প্রয়োজন। কারণ অনেকে নীতিমালা মানছে না। এটাতে আমাদের যেমন দোষ রয়েছে আবার সরকারেরও ঘাটতি রয়েছে। জরিমানা করাসহ তদারকি আরো বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে লোয়াব (এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) অনেক কিছু করছে। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে। তা ছাড়া যারা আইন মানছে না তাদের লাইসেন্স বাতিল করেছে লোয়াব। মাঝে অনেক ক্রস ফিলিং হতো। সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে লোয়াব সেটা বন্ধের ব্যবস্থা করেছে।’

এলপিজি খাত নিয়ে শায়ান এফ রহমান বলেন, ‘সরকার যদি এ খাতের জন্য ভ্যাট-কর কমিয়ে দেয় তাহলে খুব ভালো হবে। তবে সরকার অনেক সাহায্য করছে। তাই তার চেয়ে বড় প্রয়োজন হলো, লোয়াবের পক্ষ থেকে, মালিকদের পক্ষ থেকে যে গাইডলাইন বা নীতিমালার কথা বলা হয়েছে, সেগুলো যদি বাস্তবায়ন করে তাহলে অনেক ভালো হয়। কারণ এ খাতটা নিরাপত্তাবিষয়ক স্পর্শকাতর একটা খাত। গুটিকতক কম্পানির জন্য পুরো খাত দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।’

এলপিজির নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারের সঙ্গে কথা বলে এ বছরই একটা প্রগ্রাম করতে চাই যেখানে এলপিজি ব্যবহারে নিরাপত্তা সম্পর্কে গ্রাহকদের বোঝাব। কারণ এটা খুব কঠিন কিছু না। আর এলপিজির মাধ্যমে বা এলপিজির কারণে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই। তাই এটা খুবই নিরাপদ।’

ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আগামীতে আমরা নিজেদের সবার উপরে দেখতে চাই। নিজেদের ২ বা ৩ নম্বরে দেখতে চাই। কারণ আমাদের কাছে ভালো একটা পণ্য আছে।’


X

Proyash


...
  • A specialized institute that works for the holistic development of children with special educational needs through different programs
  • Include early childhood development programs (ECD), special schooling, therapeutic interventions, medical and neuro-developmental assessment, leisure time and co-curricular activities, training for the teachers, parents and integrated services


Other CSR Initiatives


... ...
  • Charity contributions through the Gono Sahajjo Songstha (GSS) for the educational sector for the unprivileged
  • Free drugs during natural calamities and distribution of clothing during winter
  • As part of BEXIMCO Group’s focus on society development, Fazlur Rahman Foundation has established a project called "FRF Diagnostic Centre". The project provides health screening services for Beximco Pharmaceuticals and Beximco Antibiotics Industries employees.
  • Sponsoring events and national sport stars and teams
  • Official sponsor of the Bangladesh National Cricket team for the ICC Cricket World Cup 2011
  • Official sponsor of the FIFA friendly match between Argentina and Nigeria held in September, 2011